Posts

সরস্বতী পুজার অনুমতি দিলো না সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটি।

Image
সরস্বতী  পুজার অনুমতি দিলো না সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটি। হিন্দু ধর্মালম্বী সকল অনুসারীগন মনে করেন যে বিদ্যার দেবী সরস্বতী। আর এই সরস্বতী পূজা করলে বিদ্যার অর্জন করা যায় । তাইতো এই বিশ্বাস নিয়ে সকল হিন্দু সম্প্রদায়ের অনুসারীগন এই পূজা করে থাকে।  যে হেতুক এই পূজা বিদ্যা অর্জন জন্য করা হয়ে থাকে, তাই ছাত্র ছাত্রীরা এই আয়োজন করে থাকে। স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র ছাত্রীদের নিজেদের অর্থ দিয়ে এই পূজার আয়োজন করে থাক। সব সকল যায়গায় পূজা হলেও করতে দিচ্ছে না সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটি।  কৌশিক ভৌমিক নামে একজন ছাত্র বলেন যে বার বার আবেদন পত্র দিলেও মেলেনি কোন সমাহার। বিশ্ব‌বিদ‌্যাল‌য়ের এডভাইজর স‌্যার এবং রেজিষ্টার স্যার কে পূজার বিষয়টা জানানোর পর অনেক ভাবে আমাদের নানান অজুহাত দে‌খি‌য়ে ঘোড়ানো শুরু করলেন। আমরাও নাছোড়বান্দা, শে‌ষে উনারা শর্ত দিলেন সনাতনী শিক্ষক থেকে ‌লি‌খিত আবেদন করতে হবে বিশ্ব‌বিদ‌্যাল‌য়ে পূজা করার জন‌্য। খুবই দ্রুত ম্যানেজ করে ফেললাম ৪ জন শিক্ষক‌কে।  যথা‌রী‌তি ‌লি‌খিত আবেদন জমা দিলাম রেজিষ্টার স্যার বরাবর। আবেদন দেখে প্রথ‌মেই অনেকগুলো কথা শুনা‌লেন তি‌নি।  তি‌নি য...

সীতাকুন্ড চন্দ্রনাথ ধামের এখনো সেই একই চিত্র।

Image
 

বাংলাদেশের তাড়াশে একই সংখ্যালঘু হিন্দু পরিবারের তিনজনকে হ ত্যা

Image
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান—হত্যাকারীরা পরিকল্পিতভাবে গোপনে তাদেরকে হত্যা করে ঘরে তালা দিয়ে যায়। নিউজ ডেক্স :- মিরসরাই হিন্দু টিভি বাংলাদেশের সিরাজগঞ্জ জেলার তাড়াশ উপজেলার বারোয়ারি বটতলায় একই পরিবারের তিন জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার ভোররাত ৩টায় মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়। নিহতরা হলেন বিকাশ সরকার (৪৬), তার স্ত্রী স্বর্ণা রানী সরকার (৪২) ও মেয়ে তাড়াশ সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী পারমিতা সরকার তুষি (১৫)। নিহত বিকাশের বড়ভাই প্রকাশ সরকার তাড়াশ উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি। পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান—হত্যাকারীরা পরিকল্পিতভাবে গোপনে তাদেরকে হত্যা করে ঘরে তালা দিয়ে যায়। স্বজনরা খোঁজ না পেয়ে থানায় খবর দিলে পুলিশ সদস্যরা ভোররাত ৩টার দিকে তালা ভেঙে মেঝে ও বিছানায় তাদের মরদেহ দেখতে পান। তাড়াশ থানার ওসি মো. নজরুল ইসলাম নিহতের স্বজনদের বরাত দিয়ে জানান, তাদেরকে গত দুইদিন ধরে না পেয়ে স্বজনরা মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করে ব্যর্থ হন। পরে বাসায় গিয়ে বাইরে থেকে তালা দেখে পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ তালা ভেঙে ঘরে ঢুকে মরদেহ দেখতে পান। তাদেরকে কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে বল...

ভারতের উত্তরাখন্ডে মাদরাসায় পড়ানো হবে রামায়ণ।

Image
 ভারতের মাদরাসাতেও রামায়ণের কাহিনী পড়ানো হবে। মাদরাসার সিলেবাসে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে রামায়ণ। এমনটাই জানিয়েছে উত্তরাখন্ডের ওয়াফ্ফ বোর্ড। চলতি বছরে যে নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরু হচ্ছে, তাতেই থাকবে রামায়ণ। ওয়াকফ বোর্ডের তরফে জানানো হয়েছে, উত্তরাখণ্ডে তাদের অধীনে যে ক'টি মাদরাসা। রয়েছে, সেখানে নতুন করে সাজানো হচ্ছে সিলেবাস। রামের কাহিনী সিলেবাসে ঢোকানো হচ্ছে। তবে রাজ্যের সমস্ত মাদরাসায় ওই সিলেবাস প্রযুক্ত হতে কিছুটা সময় লাগবে। উত্তরাখণ্ডে ওয়াকফ বোর্ডের অধীনে মোট ১১৭টি মাদরাসা রয়েছে। তবে রামায়ণসহ নতুন সিলেবাস আপাতত রাজ্যের চারটি মাদরাসায় পড়ানো শুরু হচ্ছে। দেহরাদুন, হরিদ্বার, নৈনিতাল এবং উধম সিংহ নগরের মাদরাসায় প্রাথমিকভাবে রামায়ণ পড়ানোর তোড়জোড় শুরু হয়েছে। বাকি মাদরাসায় এই সিলেবাস চালু করা হবে কিছুদিন পর। ওয়াকফ বোর্ড জানিয়েছে, এই মুহূর্তে নতুন সিলেবাস পড়ানোর মতো পর্যাপ্ত শিক্ষক তাদের হাতে নেই। আগামী দিনে রামায়ণ পড়ানোর জন্য নতুন করে শিক্ষক নিয়োগ করা হবে। শীঘ্রই বাকি ১১৩টি মাদরাসাতেও নতুন সিলেবাস চালু করা যাবে বলে বোর্ড আশাবাদী। উত্তরাখণ্ডের ওয়াকফ বোর্ডের চেয়ারম্যান শাদাব শামস এ প্রসঙ্গে বলেন, ...

দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টায় বৌদ্ধ বিহার থেকে তিনজন রাখাইন হিন্দু অনাথ বাচ্চা দের সনাতনীদের আশ্রয় প্রত্যাবর্তন।

Image
 দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টায় বৌদ্ধ বিহার থেকে তিনজন রাখাইন হিন্দু অনাথ বাচ্চা দের সনাতনীদের আশ্রয় প্রত্যাবর্তন। প্রসঙ্গত,একজন ঊর্ধ্বতম কর্মকর্তার সহযোগিতায় ও বৌদ্ধ বিহারের ভান্তের  সহযোগিতায় একটি বাচ্চার জন্ম থেকে পিতৃহারা ও বাকি দুই অনাথ বাচ্চাদেরকে সনাতনীদের আশ্রয় প্রত্যাবর্তন। এই মিশনটা মোটেও সহজ ছিল না।একটানা তিন দিন ফোন এবং নেটওয়ার্কের বাইরে ছিলাম।দুই রাত একদিন একটানা না খাওয়া ছিলাম, শুধু কলা মুড়ি ও ফল খেয়েছিলাম।  বর্তমানে এমন পরিস্থিতি, ফেসবুকে আর সবকিছু তুলে ধরা যায় না। এটা প্রচার করার একটাই উদ্দেশ্য, আমাদের সনাতনী সমাজের ঊর্ধ্বতর্ম ব্যক্তিরা ও বিত্তবানরা সর্বদাই নিজেদের নিয়ে ভাবে  এবং স্বজাতি নিয়ে এদের কোন ভাবনা নেই। আমাদের সাধু সন্ন্যাসীরা আছে নতুন নতুন মন্দির তৈরি করা নিয়ে ব্যস্ত,হিন্দু সংগঠনের নেতারা আছে কিভাবে নিজের সংগঠনে প্রচার প্রচারণা করা যায় এবং নিজেকে সংগঠনের নামে প্রতিষ্ঠা করা যায় ।  কিন্তু এরা ভাবে না যদি এই জাতি না থাকে তাহলে মন্দির ও সংগঠন  দিয়ে কি হবে। সংগঠন তো তাকে বলে যেটাকে সকলকে সংগঠিত করে.?? কিন্তু তার বিরুপ  দেখছি...

জ্ঞানবাপী মসজিদের জায়গাতেও মন্দির ছিল, রায় ভারতের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের

Image
জ্ঞানবাপী মসজিদের জায়গাতেও মন্দির ছিল, রায় ভারতের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের।   ভারতের বারাণসীতে জ্ঞানবাপী মসজিদের বর্তমান কাঠামো তৈরির আগে ওই জায়গায় একটি হিন্দু মন্দির ছিল বলে এক সমীক্ষার পর জানিয়েছে দেশটির প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ বা আর্কিওলজিকাল সার্ভে অব ইন্ডিয়া (এএসআই)। গত বছর জুলাই মাসে বারাণসী জেলা আদালত এএসআইকে ওই মসজিদ চত্বরে সমীক্ষা করার নির্দেশ দিয়েছিল। এএসআই-এর সেই রিপোর্ট বলা হয়েছে, চার মাসের জরিপ, বৈজ্ঞানিক পর্যবেক্ষণ এ বং স্থাপত্যের অবশেষ, বৈশিষ্ট্য, নিদর্শন, শিলালিপি, শিল্প ও ভাস্কর্যের অধ্যয়নের উপর ভিত্তি করে এটা সহজেই বলা যায় বর্তমান কাঠামো নির্মাণের আগে সেখানে একটা হিন্দু মন্দিরের অস্তিত্ব ছিল। এ বিষয়ে মুসলিম পক্ষ জানিয়েছে বৃহস্পতিবার (২৫ জানুয়ারি) গভীর রাতে এএসআই রিপোর্টের একটি প্রতিলিপি তারা পেয়েছে। এখন আইনজীবীদের কাছে রয়েছে সেই রিপোর্ট। জ্ঞানবাপী মসজিদ পরিচালনার দায়িত্বে থাকা আঞ্জুমান ইন্তেজামিয়া মসজিদের যুগ্ম সম্পাদক এস এম ইয়াসিন বলেন, “এটা একটা রিপোর্ট, কোনও সিদ্ধান্ত নয়। প্রতিবেদনটা ৮৩৯ পৃষ্ঠার। এর সমীক্ষা ও বিশ্লেষণ করতে সময় লাগবে। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নেওয়া হ...

বাগেশ্বর ধামে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘সনাতন ধর্মে’ ফিরে এল ৬২ টি খ্রিস্টান পরিবার ।

Image
বাগেশ্বর ধামে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘সনাতন ধর্মে’ ফিরে এল ৬২ টি খ্রিস্টান পরিবার । রবিবার মধ্যপ্রদেশের ছতরপুরে বাগেশ্বর ধামে একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল । ধামের পীঠধীশ্বর পণ্ডিত ধীরেন্দ্র কৃষ্ণ শাস্ত্রীসহ হাজার হাজার ভক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন । হিন্দু জাগরণ মঞ্চের তরফ থেকে বুন্দেলখণ্ড এলাকার তাপ্রিয়ান, বানাপুর, চিতোরা এবং বামহাউরি প্রভৃতি গ্রাম মিলে ওই ওই ৬২ টি পরিবারকে সেখানে আনা হয়েছিল । ধীরেন্দ্র কৃষ্ণ শাস্ত্রী তাদের সনাতন ধর্মে স্বাগত জানান । সনাতন ধর্মে ফিরে আসারা জানিয়েছেন, খ্রিস্টান মিশনারিরা তাদের বাড়ি নির্মান করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল । সেই লোভে পড়েই তারা ধর্মান্তরিত হয়েছিল ।পণ্ডিত ধীরেন্দ্র কৃষ্ণ শাস্ত্রী বলেন, ভুল সবার হয় । আমি আপনাদের সকলকে অনুরোধ করছি প্রতি শনি-মঙ্গলবার হনুমান মন্দিরে যাওয়া শুরু করুন। আমরা কোনো সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে নই কিন্তু সনাতন ধর্মের কট্টর অনুসারী। তিনি আরও বলেন, আমি জনপ্রিয়তা চাই না। আমরা রামচরিতমানসকে জাতীয় গ্রন্থ হিসেবে এবং ভারতকে হিন্দু রাষ্ট্র হিসেবে দেখতে চাই । প্রসঙ্গত,গত বছর ডিসেম্বরে মধ্যপ্রদেশের দামোহ শহরের বাগেশ্বর ধামে...