Posts

দেশভাগের সময়ও যে জমিদার বাড়ির লোকজন দেশত্যাগ করেনি।

Image
 দেশভাগের সময়ও যে জমিদার বাড়ির লোকজন দেশত্যাগ করেনি। রাজকীয় প্রতাপপুর জমিদার বাড়ি।  পূর্বচন্দ্রপুর, দাগনভূঁঞা, ফেনী। জানা গেছে, বাংলা ১২২৮ সালের ১৩ ফাল্গুন রামনাথ কৃষ্ণ সাহা ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলার পূর্বচন্দ্রপুর ইউনিয়নের প্রতাপপুর গ্রামে এ জমিদার বাড়ি নির্মাণ করেন। স্থানীয়দের কাছে এটি বড়বাড়ি ও রাজবাড়ি নামেই পরিচিতি। প্রায় সাড়ে ১৩ একর জায়গায় নির্মিত রাজপ্রসাদসম এ বাড়িতে রয়েছে পাচঁটি অভিজাত ডিজাইনের দ্বিতল ভবন। ওই ভবনে রামনাথসহ তারা পাঁচ ভাই পরিবার নিয়ে বসবাস করতেন। ঘরগুলোর চারপাশে খনন করা ১২টি পুকুরের স্বচ্ছ পানিতে জমিদাররা মাছ চাষ করতেন। পুকুরগুলোতে পাঁচটি দৃষ্টিনন্দন বৈঠকখানাবেষ্টিত ঘাটলায় জমিদারদের পাঁচ পরিবারের বউ-ঝিরা গোসল ও গল্প করতেন। জমিদারী আমলে দেশ-বিদেশের অন্যান্য জমিদাররা এ বাড়িতেই সফর বিরতি করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করতেন। একটা সময় মাঠের ধানে ভরে যেত জমিদার বাড়ির উঠান–গোলা আর কাচারি ঘর। ধান ওঠানো শেষে শুষ্ক মৌসুমে সেই জমিতে চাষ হতো সরিষা, মটরশুটি, খেসারি, কলাই ও মুসরিসহ বিভিন্ন রবিশস্য। ঘোড়ায় চড়ে জমিদাররা যাতায়াত করতেন এবাড়ি-ওবাড়ি। সিন্দুরপুর ও রাজাপুর এলাকায় পরিষদ ভবনে...

সীতাকুন্ডের হাজার বছরের পুরোনো ৪ টি মন্দিরের বিগ্রহ ভাঙ্গাচুরা করা হয়েছে ।

Image
 সীতাকুন্ডের হাজার বছরের পুরোনো ৪ টি মন্দিরের বিগ্রহ ভাঙ্গাচুরা করা হয়েছে । সীতাকুন্ডের হাজার বছরের পৌরানিক মান্যতাপ্রাপ্ত শক্তিপীঠ বাড়বনলের উৎপত্তিস্থলে হাজার বছরের পুরোনো ৪ টি মন্দিরের বিগ্রহ ভাঙ্গাচুরা করা হয়েছে । হনুমান মন্দির এর মধ্যে গর্ত করে হনুমান মূর্তি টাকে এক জঙ্গল এর মধ্যে রেখে দেওয়া হয়, ত্রিনাথ মন্দির এর মধ্যে ত্রিনাথ ঠাকুর এর মূর্তি ছিল ঐটাকে ভেঙে চুরমার করে দিয়েছে, এরপর অন্নপূর্ণা বিগ্ৰহ মন্দির টি ভেঙে ফেলেছে,তারপর জগন্নাথ মন্দির এর বিগ্ৰহ ভেঙে দিয়েছে। বিভিন্ন ঠাকুর কে আঘাত করেছে। মন্দির গুলোর নাম হলো: ১) হনুমান মন্দির ২) ত্রিনাথ মন্দির ৩) অন্নপূর্ণা মন্দির ৪) জগন্নাথ মন্দির ইত্যাদি। এসব মন্দির গুলোর এবং মূর্তি গুলো উপর অত্যাচার করা হয় ।

অযোধ্যায় ইসকনের বাজিমাত 🛕 মাত্র ১৬ দিনে ১ লক্ষ ২০ হাজার ভগবদ্ গীতা বিতরণ ✅

Image
 অযোধ্যায় ইসকনের বাজিমাত 🛕 মাত্র ১৬ দিনে ১ লক্ষ ২০ হাজার ভগবদ্ গীতা বিতরণ ✅ শ্রীমৎ ভক্তি বিজয় ভাগবত স্বামী মহারাজ অযোধ্যায় বই বিতরণ সম্পর্কে আপডেট পাঠিয়েছেন। অযোধ্যা রাম মন্দির উদ্বোধন উপলক্ষে গত ১৬ দিনে দিল্লি, পুনে এবং মায়াপুর থেকে প্রায় ১২৫ জন ভক্তের সমন্বয়ে গঠিত সংকীর্তন দল বিনামূল্যে ১ লক্ষ ২০ হাজার শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা যথাযথ বিতরণ করেছেন। সর্বমোট ২ লক্ষ গীতা বিতরণের লক্ষ্য রয়েছে। এছাড়াও লক্ষ লক্ষ দর্শনার্থীর মাঝে বিনামূল্যে মহাপ্রসাদ বিতরণ করা হয়েছে আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ ইসকনের পক্ষ থেকে। জয় শ্রীরাম 🙏🙏 #RamMandirAyodhya  #jaishreeram

#আমন্ত্রণপত্র || বীণাপানি বন্দনা-১৪৩০ বঙ্গাব্দ || ১৪ই ফেব্রুয়ারি ২০২৪, রোজ বুধবার

Image
 #আমন্ত্রণপত্র || বীণাপানি বন্দনা-১৪৩০ বঙ্গাব্দ ||  ১৪ই ফেব্রুয়ারি ২০২৪, রোজ বুধবার  পূজা পরিক্রমায় উপস্থিত  থাকবেন বাবার কৃপা প্রাপ্ত শ্রী শ্রীমৎ সুজনানন্দ ব্রহ্মচারী , লোকনাথ ধাম গাছবাড়ীয়া ৷ ঐতিহ্যের ৬১ তম বর্ষে  বাণী অর্চনা  সংঘের একঝাঁক স্বপ্নবাজ তরুণের আয়োজন: পূজাপ্রাঙ্গণ:  বিষ্ণু মন্দির, পালপাড়া নিজামপুর কলেজ, মিরসরাই ,চট্টগ্রাম। দেবীর বন্দনা : সকাল ৮ ঘটিকায়  পুষ্পাঞ্জলি অর্পণ : সকাল ৯ ঘটিকায় গীতা পাঠ ও ভক্তিগীতি :সকাল ১১ ঘটিকায়  অন্য প্রসাদ বিতরণ :দুপুর ১ঘটিকায় ৷ আরতি প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান : সন্ধ্যা ৬ ঘটিকায় আয়োজনে: বাণী অর্চনা সংঘ । বসন্ত পঞ্চমীর এবারের আয়োজনে আপনারা সপরিবারে আমাদের পূজা মন্ডপে আমন্ত্রিত। স্থান:- পালপাড়া, নিজামপুর, মিরসরাই, চট্টগ্রাম

মোহন্ত নিয়োগসহ ১০ দফা বাস্তবায়ন চান চন্দ্রনাথ ধাম রক্ষা ও বাড়বকুণ্ড তীর্থধাম উন্নয়ন পরিষদের।

Image
 মোহন্ত নিয়োগসহ ১০ দফা বাস্তবায়ন চান চন্দ্রনাথ ধাম রক্ষা ও বাড়বকুণ্ড তীর্থধাম উন্নয়ন পরিষদের। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পবিত্র তীর্থস্থান চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের চন্দ্রনাথ ধামের পবিত্রতা নষ্টের চেষ্টা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সাম্প্রদায়িক উস্কানিমূলক প্রচারণার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের এস রহমান হলে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে শ্রীশ্রী চন্দ্রনাথ ধাম রক্ষা পরিষদ এবং বাড়বকুণ্ড তীর্থধাম উন্নয়ন কমিটি। এ সময় চট্টগ্রামের বিভিন্ন সনাতনী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। সংবাদ সম্মেলনে দেবোত্তর সম্পত্তি আত্মসাতের ষড়যন্ত্র, বাড়বকুণ্ড তীর্থধামের অধিষ্ঠাত্রী দেবী শ্রীশ্রী জ্বালামুখি কালী বিগ্রহের দেবোত্তর সম্পত্তি জাল জালিয়াতির মাধ্যমে দখলের চেষ্টা ও সেবায়েতদের ওপর হামলা এবং ভয়ভীতি প্রদর্শনের প্রতিবাদ জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন চন্দ্রনাথ ধাম রক্ষা পরিষদ এবং বাড়বকুণ্ড তীর্থধাম উন্নয়ন কমিটির আহ্বায়ক ও পুন্ডরীক ধামের অধ্যক্ষ চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারী। সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় পার্টির যুগ্ম মহাসচিব দিদারুল আলম দিদারের...

মিঠাছরায় এসভিএস বিদ্যার্থী বৃত্তি পরীক্ষার পুরস্কার বিতরন ও বার্ষিক সম্মেলন সম্পন্ন।

Image
 মিঠাছরায় এসভিএস বিদ্যার্থী বৃত্তি পরীক্ষার পুরস্কার বিতরন ও বার্ষিক সম্মেলন সম্পন্ন। সনাতন বিদ্যার্থী সংসদ মীরসরাই উপজেলা শাখার বিদ্যার্থী বৃত্তি পরীক্ষার পুরস্কার বিতরন,গুণীজন সম্মাননা, মুক্তিযুদ্ধা সংবর্ধনা ও বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠান শনিবার (৩'রা ফেব্রুয়ারি)  শ্রী শ্রী মহামায়া মন্দিরে অনুষ্ঠিত হয়। মোমবাতি প্রজ্জলন ও শঙ্খধ্বনির মাধ্যমে অনুষ্ঠানের শুভ  উদ্ভোধন হয়। সবিস সভাপতি শ্রী গোপী কুমার দাস এর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক শ্রী রিপন গোপ পিন্টুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন করেন সীতাকুন্ড স্রাইন কমিটির সদস্য শ্রী উত্তম শর্মা। প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সনাতন বিদ্যার্থী সংসদ বাংলাদেশ, প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি শ্রী কুশল বরণ চক্রবর্ত্তী। মূখ্য আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সবিস চট্টগ্রাম মহানগর শাখার সম্মানিত সভাপতি শ্রী আয়ান শর্মা। সংবর্ধিত বিশেষ অতিথী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন  মীরসরাই উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি শ্রী সুভাষ সরকার, জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ এর সভাপতি শ্রী পরিমল কর্মকার, সবিস চট্টগ্রাম উত্তর জেলার আহ্বায়ক ডা: শ্রী প্রত্যয় চক্রবর্তী। সম্মানিত বিশে...

সম্প্রীতির ভারত ! মুখে ‘জয় শ্রীরাম’ পায়ে হেঁটে রামমন্দির দর্শনে ৩৫০ মুসলিম ভক্ত

Image
  মুখে ” জয় শ্রীরাম ” ধ্বনি। লক্ষ্য অযোধ‍্যায় গিয়ে রামলালাকে দর্শন করা। সেই উদ্দেশ্যেই এই শীতের মধ‍্যেই ৬ দিন ধরে পথ হেঁটে অযোধ‍্যায় পৌঁছলেন ৩৫০ জন মুসলিম। ধর্মের বাধা পেরিয়েই তাই অযোধ‍্যায় রামলালার কাছে পৌঁছলেন ৩৫০ জন মুসলিম। লখনউ থেকে পুরো পথটাই তাঁরা এসেছেন পায়ে হেঁটে। মুখে ছিল ” জয় শ্রীরাম” ধ্বনি। টানা ৬ দিন ধরে হেঁটে অবশেষে দেবতার কাছে পৌঁছেছেন তাঁরা। লখনউ থেকে অযোধ্যা। পথ নেহাত কম নয়। প্রায় ১৫০ কিলোমিটার। সঙ্গে উত্তরপ্রদেশের কড়া শীতের কামড় তো রয়েছেই। কিন্তু কোনোরকম যানবাহনে সওয়ার হননি তাঁরা। ভগবানের কাছে পৌঁছনোর জন‍্য ক‍ৃচ্ছ্রসাধন করা জরুরি, এমন বিশ্বাস তো এদেশের রন্ধে রন্ধে,। সেখানেই এক অভিনব সম্প্রীতির নজির গড়লেন এই মুসলিম ভক্তরা।